Breaking News

প্রতিদিন কলা আর আলু খেলে কী হতে পারে জানা আছে?

শরীর ঠিক রাখতে কত কিছুই না করতে হয় আমাদের। তবু অজান্তে আমরা এমন কিছু কাজ করে ফেলি যাতে শরীরের ক্ষয় হতে শুরু করে। আর এই ক্ষয় আটকাতে পারে একমাত্র আলু আর কলা। কীভাবে এরা একাধিক রোগকে দুরে রেখে আমাদের স্বাস্থ্যবান করে তোলে?

সে সম্পর্কে জানতে একবার চোখ রাখতেই হবে এই প্রবন্ধে। একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে কলা, আলু এবং দানা শস্যে উপস্থিত রেজিটেন্স স্টার্চ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি সার্বিকবাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

রেজিটেন্স স্টার্চ হল এমন এক ধরনের স্টার্চ, যা ক্ষুদ্রান্তে পৌঁছানোর পর হজম হয় না। তাই তো বিশেষজ্ঞরা একে ডায়াটারি ফাইবার হিসেবে বিবেচিত করে থাকেন। আর একথা তো ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিদিন ৩০ গ্রাম ডায়াটারি ফাইবার খাওয়া একান্ত প্রয়োজন।

এমনটা করলে একাধিক ক্রনিক বা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ নিউট্রেশন ফাউন্ডেশনের একাধিক বিজ্ঞানি একথা প্রমাণ করেছেন যে শরীরকে যদি বেসি দিন সচল এবং সবল রাখতে হয় তাহলে প্রতিদিন ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া মাস্ট! তাই সুস্থভাবে দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকতে নিয়মিত কলা এবং আলু খাওয়া শুরু করুন।

আর যারা কলা বা আলু খেতে চান না, তাদের কী হবে? কোনও চিন্তা নেই। এই দুটি খাবার ছাড়াও একাধিক রেডিমেড খাবারেও এই ধরনের উপকারি উপাদানের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়। তাই এগুলি খেলেও একই উপকার পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হল, ডায়াটারি ফাইবার এত প্রয়োজনে লাগে কেন?

যেমনটা আগেও বলেছি, রেজিসটেন্স স্টার্চ ক্ষুদ্রান্ত দ্বারা হজম হতে চায় না। ফলে এটি শরীরে ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে এনার্জির ঘাটতি দূর করে। সেই সঙ্গে আরও নানাভাবে শরীরের গঠনে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়।

শরীরের গঠনে আরও নানা কাজে আসে এই ধরনের খাবারগুলি। তাই তো এখনও গবেষণা চলছে। কে বলতে পারে আগামী দিনে হয়তো এই সম্পর্কিত আরও অনেক তথ্য সমানে আসবে। তাই তো আরও বেশি কিছু জানার জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

কে বলতে পারে ভবিষ্যতে হয়তো অনেক জটিল রোগের চিকিৎসাতেও কাজে আসতে পারে আলু এবং কলা।