অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এল আয়োজকদের সঙ্গে এভ্রিলের গোপন সমঝোতার তথ্য

তথ্য গোপন করার অভিযোগে সুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-এর শিরোপা হারানোর পর জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল মন্তব্য করেছেন যে এতে তিনি হেরে যাননি, বরং এই ঘটনায় পরাজয় হয়েছে বাংলাদেশের আইনের। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, আয়োজকদের সঙ্গে এই সুন্দরী সমঝোতা করেছেন। এমনকি একটি কোম্পানি ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর বানানেরা ক্ষেত্রেও নাকি সেই আয়োজকদের একটা প্রভাব কাজ করেছে। খবর সংশ্লিষ্ট বিশস্ত সূত্রের।

সূত্র আরো জানিয়েছে, খেতাব হারানোর আগেই

তিনি এ বিষয়ে আয়োজকদের বিরুদ্ধে মামলার চিন্তা করছিলেন। এ বিষয়ে তিনি মানহানির মামলাও করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে অবস্থান থেকে ক্যারিয়ারের স্বার্থে তিনি গোপন একটি সমঝোতা করেছেন। অন্তর শো বিজের পক্ষ থেকে তাকে দিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করানো হবে এবং মিডিয়াতে টিকে থাকতে সর্বাত্নক সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাসের পরই মন গলে যায় সুন্দরী জান্নাতুল এভ্রিলের।

এর আগে বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিয়ে নিয়ে তিনি কোন তথ্য গোপন করেননি। নিজের বিয়ে সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, সে ব্যাপারে তিনি বলেন, ১৬ বছর বয়সী কোন মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেয়া হলে তাকে বিয়ে বলে গণ্য করা যায় না। এর আগে অনেক বিতর্কের পর আয়োজকরা ঐ প্রতিযোগিতায় এভ্রিলের শিরোপা বাতিল করেন।

ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, জান্নাতুল নাঈম তার বিয়ে নিয়ে প্রতিযোগিতার আগে মিথ্যে তথ্য দিয়েছিলেন, আর সেজন্যেই তার শিরোপা কেড়ে নেয়া হয়েছে।

তার জায়গায় জেসিয়া ইসলামকে নতুন মিস বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি এখন মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

আয়োজকরা বলছেন, জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের বিষয়টি ‘মিস্ ওয়ার্ল্ড’ কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর তারা মতামত দেয় যে মিথ্যে তথ্য দানকারী এমন কাউকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে দেয়া উচিত হবে না।

তার বিয়ের তথ্য নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে সে প্রসঙ্গে জান্নাতুল নাঈম বলেন, “এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার একমাসের মধ্যে যে মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়, তার বয়স কিভাবে ২৩ বছর হয়?” তার বয়স প্রমাণের জন্য কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন।