Breaking News

নবীদের নামে নাম রাখা কি ভালো না মন্দ

ইসলাম নিয়ে প্রশ্নোত্তরমূলক বিশেষ অনুষ্ঠান ‘শরিফ মেটাল প্রশ্ন করুন’। এ অনুষ্ঠানে কোরআন ও হাদিসের আলোকে দর্শক-শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়। আরটিভিতে সরাসরি এ অনুষ্ঠান প্রচার করনে। এবারের পর্বে উত্তর দিয়েছেন ইসলামী চিন্তাবিদ হাফেজ মুফতি কাজী মুহাম্মদ ইব্রাহিম।

প্রশ্নঃ নামের আগে মোহাম্মদ বা আহাম্মদ বা আল্লাহর নামের সাথে মিল রেখে নাম রাখা যাবে কী?

উত্তরঃ মোহাম্মদ বা আহাম্মদ নাম অবশ্যই রাখা যাবে। এগুলো তো অত্যন্ত প্রিয় নাম। একটা হাদিসে আছে, নবীদের নামে তোমরা নাম রাখ। আবার নবী কারিমের নাম সম্পর্কে সহিহ বুখারিতে বলা হয়েছে, আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমি যতদিন বেচে থাকবো ততদিন আমার উপনামে নাম রেখো না। যেমন নবীজীর উপনাম ছিল আবুল কাসেম। তবে নবীজীর মৃত্যুর পর এ নাম রাখলে কোন সমস্যা নেই।

প্রশ্নঃ মাসের নাম, ফলের নাম, নিত্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের নামে নাম রাখা হচ্ছে। নামের সাথে কি মানুষের চরিত্রের কোনও সম্পর্ক আছে?

উত্তরঃ নাম একটা বিশাল বিষয়, নামের ভেতর যদি এরকম কোনও অর্থ থাকে যেটা ভালো নয় বা মন্দ, তাহলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই ওই মন্দের প্রভাব ওই ব্যক্তির উপর পড়বে। এজন্য নবী কারিম (সা.) সবসময় কাউকে কোনও জায়গায় পাঠানোর আগে তার নাম জেনে নিতেন, তার নামটি পছন্দ না হলে তাকে পাঠাতেন না। একটি হাদিসে আছে, আল্লাহর কাছে পৃথিবীর সকলের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় নাম হল আবদুল্লাহ, তারপরে হল আবদুর রহমান। আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত নামগুলো যেমন প্রিয়, তেমনি বাস্তবসম্মত।

প্রশ্নঃ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে এমন কোনো সুন্নত কি আছে, যেগুলো পাত্রপাত্রীকে পালন করতে হবে?

উত্তরঃ বিয়ের আগের যেটা সবচেয়ে জরুরি সেটা হচ্ছে পাত্র-পাত্রী একজন আরেকজন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করবে। পাত্র সম্পর্কে যেমন হাদিসে রয়েছে, তোমাদের কাছে যদি এমন ছেলে আসে যার ধার্মিকতা তোমার কাছে প্রিয়, তার চরিত্র পছন্দনীয় তবে তার কাছে তোমার কন্যা দান কর। অপরদিকে কন্যার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, এমন মেয়ে যে চরিত্রবান, গোপন কোনও ছেলে বন্ধু কিংবা মেয়ে বন্ধু নেই সেই মেয়েকে বিয়ে কর। বিয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আগে দেখতে হবে এই বিষয়গুলো।